![]() |
| জ্বালানির জন্য ফিলিং স্টেশনের বাইরে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে দেখা গেছে অনেককে |
"নিউমার্কেট থেকে উত্তর বাড্ডা আসার পথে পাঁচটা পাম্পে গেছি, কোনোটা বলে তেল নাই, কোনোটাতে বিদ্যুৎ নাই, কোনোটা বলে পরে আসেন।"
এভাবেই বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন মোটর সাইকেল চালক মারুফ হোসেন। হঠাৎই জ্বালানি তেল নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তার মতো অনেকেই।
ঢাকার উত্তর বাড্ডায় মক্কা সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনের সামনে জ্বালানি তেল নেওয়ার অপেক্ষায় থাকা এমন অনেকের সঙ্গেই কথা হয় বিবিসি বাংলার।
নিজের মোটর সাইকেলের জ্বালানি তেল নেওয়ার জন্য ফিলিং স্টেশনে ঘুরছেন ঢাকার রামপুরা এলাকার বাসিন্দা হায়দার আলী। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করেও শেষমেষ জ্বালানি তেল ছাড়াই বাসায় ফিরেছেন।
"ভাই, গত রাতে শত শত বাইক, কে কার আগে তেল নেবে, মনে হচ্ছিল যেন যুদ্ধ ইরানে না বাংলাদেশে লাগছে," বলেন তিনি। পাম্পের বাইরে নিজেদের মধ্যেই আলোচনা করছিলেন জ্বালানি নেওয়ার অপেক্ষায় থাকা কয়েকজন যানবাহন চালক।
তাদের প্রশ্ন, যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়তে পারে, এই আলোচনা শুরু হতে না হতেই ফিলিং স্টেশনে তেলের সংকট কিভাবে হয়?
"সরকার তো একটা নিয়ম করে দিতে পারে যে, এই কয়দিনের জন্য কেউ পাঁচশ বা হাজার টাকার বেশি তেল নিতে পারবে না," বিবিসি বাংলাকে বলেন প্রাইভেট কার চালক কাদের মিয়া। সরেজমিন রাজধানীর বাড্ডা, রামপুরা এবং খিলক্ষেত এলাকার তিনটি সিএনজি স্টেশন এবং পেট্রোল পাম্প ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে।
এসব ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বরতদের দাবি, গত দুইদিন তাদের কাছে যে পরিমাণ তেল এসেছে, তার থেকে চাহিদা অনেক বেশি।
"ডিপো থেকে তেল না দিলে আমরা কী করবো, সকালে তেল যা আসছিল দুপরেই শেষ হয়ে গেছে, এখন কোত্থেকে দিব আমরা," বিবিসি বাংলাকে বলেন মক্কা ফিলিং স্টেশনে কর্মরত নুরুল মিয়া।
ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দাম বাড়তে পারে বা সংকট হতে পারে- এমন শঙ্কা থেকে আগেভাগেই বেশি করে জ্বালানি তেল কিনছেন অনেকে, যার ফলে সংকট তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, বেশি লাভের আশায় ফিলিং স্টেশন বা ডিপোগুলো তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে বলে অভিযোগ গ্রাহকদের।
সব মিলিয়ে বাংলাদেশে জ্বালানি নিয়ে যে এক ধরনের 'অস্থিরতা' তৈরি হয়েছে, এটি বলাই যায়। এক্ষেত্রে ঘুরেফিরে একটি প্রশ্নই সামনে আসছে যে, 'তেল-গ্যাসের দাম কী বাড়ছে?"
এদিকে প্রতিদিন যানবাহন ভেদে কতটুকু জ্বালানি তেল নেওয়া যাবে, সেই সীমা নির্ধারণ করে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন বা বিপিসি।
"নিউমার্কেট থেকে উত্তর বাড্ডা আসার পথে পাঁচটা পাম্পে গেছি, কোনোটা বলে তেল নাই, কোনোটাতে বিদ্যুৎ নাই, কোনোটা বলে পরে আসেন।"
এভাবেই বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন মোটর সাইকেল চালক মারুফ হোসেন। হঠাৎই জ্বালানি তেল নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তার মতো অনেকেই।
ঢাকার উত্তর বাড্ডায় মক্কা সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনের সামনে জ্বালানি তেল নেওয়ার অপেক্ষায় থাকা এমন অনেকের সঙ্গেই কথা হয় বিবিসি বাংলার।
নিজের মোটর সাইকেলের জ্বালানি তেল নেওয়ার জন্য ফিলিং স্টেশনে ঘুরছেন ঢাকার রামপুরা এলাকার বাসিন্দা হায়দার আলী। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করেও শেষমেষ জ্বালানি তেল ছাড়াই বাসায় ফিরেছেন।
"ভাই, গত রাতে শত শত বাইক, কে কার আগে তেল নেবে, মনে হচ্ছিল যেন যুদ্ধ ইরানে না বাংলাদেশে লাগছে," বলেন তিনি। পাম্পের বাইরে নিজেদের মধ্যেই আলোচনা করছিলেন জ্বালানি নেওয়ার অপেক্ষায় থাকা কয়েকজন যানবাহন চালক।
তাদের প্রশ্ন, যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়তে পারে, এই আলোচনা শুরু হতে না হতেই ফিলিং স্টেশনে তেলের সংকট কিভাবে হয়?
"সরকার তো একটা নিয়ম করে দিতে পারে যে, এই কয়দিনের জন্য কেউ পাঁচশ বা হাজার টাকার বেশি তেল নিতে পারবে না," বিবিসি বাংলাকে বলেন প্রাইভেট কার চালক কাদের মিয়া। সরেজমিন রাজধানীর বাড্ডা, রামপুরা এবং খিলক্ষেত এলাকার তিনটি সিএনজি স্টেশন এবং পেট্রোল পাম্প ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে।
এসব ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বরতদের দাবি, গত দুইদিন তাদের কাছে যে পরিমাণ তেল এসেছে, তার থেকে চাহিদা অনেক বেশি।
"ডিপো থেকে তেল না দিলে আমরা কী করবো, সকালে তেল যা আসছিল দুপরেই শেষ হয়ে গেছে, এখন কোত্থেকে দিব আমরা," বিবিসি বাংলাকে বলেন মক্কা ফিলিং স্টেশনে কর্মরত নুরুল মিয়া।
ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দাম বাড়তে পারে বা সংকট হতে পারে- এমন শঙ্কা থেকে আগেভাগেই বেশি করে জ্বালানি তেল কিনছেন অনেকে, যার ফলে সংকট তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, বেশি লাভের আশায় ফিলিং স্টেশন বা ডিপোগুলো তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে বলে অভিযোগ গ্রাহকদের।
সব মিলিয়ে বাংলাদেশে জ্বালানি নিয়ে যে এক ধরনের 'অস্থিরতা' তৈরি হয়েছে, এটি বলাই যায়। এক্ষেত্রে ঘুরেফিরে একটি প্রশ্নই সামনে আসছে যে, 'তেল-গ্যাসের দাম কী বাড়ছে?"
এদিকে প্রতিদিন যানবাহন ভেদে কতটুকু জ্বালানি তেল নেওয়া যাবে, সেই সীমা নির্ধারণ করে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন বা বিপিসি।
Redirecting you to the destination...
If you are not redirected automatically, click here.

0 মন্তব্যসমূহ